ট্রায়ালের ১৪ দিন পেরোলে কী হয়?
নতুন কিছু লেখা বন্ধ হয় — নতুন ভিজিট, প্রেসক্রিপশন বা ফি। কিন্তু সফটওয়্যার খোলে: যা লিখেছেন সব পড়া যায়, পুরনো প্রেসক্রিপশন আবার ছাপানো যায়, আর পুরো ব্যাকআপ পেনড্রাইভে নিয়ে নেওয়া যায়। রোগীর তথ্য আপনার কম্পিউটারেই থাকে, আমরা কিছু আটকে রাখি না। লাইসেন্স কী বসালেই আবার আগের জায়গা থেকে চলবে।
আপডেটের মেয়াদ শেষ হলে সফটওয়্যার বন্ধ হয়ে যাবে?
না। যে সংস্করণটি আপনার কাছে আছে সেটি চিরকাল চলবে — লাইসেন্স আপনার মেশিনেই যাচাই হয়, আমাদের অনুমতি লাগে না। মেয়াদ শেষ হলে কেবল নতুন সংস্করণ আসা বন্ধ হয়। চাইলে পরে অল্প টাকায় আপডেট আবার চালু করতে পারবেন।
নতুন ওষুধ যোগ হলে কি সেটাও আপডেটের মধ্যে?
ওষুধের তালিকা আলাদাভাবে আসে, সফটওয়্যার আপডেটের সাথে নয়। তাই আপডেটের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও DGDA-র নতুন নিবন্ধিত ওষুধ আপনার তালিকায় যোগ হতে থাকবে। এটা ইচ্ছে করেই এভাবে রাখা — পুরোনো ওষুধের তালিকা নিয়ে প্রেসক্রিপশন লেখা ঠিক নয়।
দ্বিতীয় কম্পিউটারে চালাতে পারব?
প্যাকেজে যতগুলো মেশিন লেখা আছে ততগুলোয়। সলোতে একটি, চেম্বারে দুটি, ক্লিনিকে চারটি। কম্পিউটার বদলালে পুরোনোটি থেকে সরিয়ে নতুনটিতে নিতে পারবেন, তাতে বাড়তি টাকা লাগে না।
সহকারীর মোবাইলের জন্য আলাদা টাকা লাগে?
না। চেম্বার ও ক্লিনিক প্যাকেজে যত খুশি মোবাইল যুক্ত করা যায়, প্রতিটির অনুমতি আলাদা করে ঠিক করা যায়, আর যেকোনো সময় বাতিল করা যায়।
AI ব্যবহার করতে কি আলাদা টাকা লাগবে?
দুটি পথ আছে। নিজের API key থাকলে সেটি বসিয়ে দিন — তাহলে আমাদের কিছু দিতে হবে না, আপনি সরাসরি সরবরাহকারীকে দেবেন। key না থাকলে আমাদের কাছ থেকে ক্রেডিট কিনতে পারেন। প্রতিটি AI বোতাম চাপার আগে আনুমানিক কত ক্রেডিট লাগবে তা দেখিয়ে দেয়।
ফেরত পাওয়া যায়?
কেনার আগে ১৪ দিন পুরো সফটওয়্যার বিনামূল্যে চালিয়ে দেখতে পারেন — তাই সাধারণত কেনার পর অবাক হওয়ার কিছু থাকে না। তবু কেনার ১৪ দিনের মধ্যে যদি মনে হয় এটি আপনার কাজে আসবে না, লিখে জানালে টাকা ফেরত দেওয়া হয়।