ফাউন্ডার দাম — প্রথম ১০০ জন ডাক্তারের জন্য ৪০% ছাড়

১০০টি জায়গা কিনুন

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য

রেজিস্ট্রেশন থেকে রিপোর্ট, হিসাব থেকে বেতন — এক জায়গায়

কাউন্টার, ল্যাব, ফার্মেসি, ক্রয়, যন্ত্রপাতি, হিসাব আর কর্মী — সব চলে সেন্টারের নিজের কম্পিউটারে, ইন্টারনেট ছাড়াও। প্রত্যেক কর্মী নিজের নামে সাইন ইন করেন আর ততটুকুই করতে পারেন যতটুকু তাঁর ভূমিকায় আছে। নিচের ছবিগুলো সত্যিকারের সফটওয়্যারের, বানানো রোগী দিয়ে চালু অবস্থায় তোলা।

দেখতে চাই — যোগাযোগ করুন ডাক্তারের চেম্বারের জন্য

কাউন্টার ও বিল

একটি চালানে সব পরীক্ষা, প্রতিটি রুমের স্লিপসহ

রোগীর মোবাইল নম্বর লিখলেই আগের রোগী আসে। পরীক্ষা বা প্যাকেজ বেছে নিলে দাম, রুম আর নমুনার টিউব নিজেই বসে যায়; কে রেফার করেছেন তাও লেখা থাকে। কিছু টাকা এখন, বাকিটা রিপোর্ট নেওয়ার সময় — প্রতিটি পেমেন্টের আলাদা রশিদ। চালান নম্বর দেওয়া, একবার ছাপলে আর বদলায় না; বাতিল বা ফেরত দিতে কারণ আর অনুমতি লাগে।

  • একাধিক কাউন্টার, প্রতিটিতে ক্যাশিয়ারের শিফট — খোলার টাকা, দিনশেষে গোনা টাকার সাথে মিল
  • চালানে বারকোড আর কিউআর — স্ক্যান করলে দেখা যায় চালানটি আসল কি না, রোগীর নামের আদ্যক্ষর মাত্র
  • টাকা বাকি থাকলে রিপোর্ট আটকে থাকে, যতক্ষণ না পরিশোধ হয় বা ম্যানেজার অনুমতি দেন
  • ৮০ মিমি থার্মাল রোল, A5 বা A4 — বাংলায় বা ইংরেজিতে
কাউন্টারে একটি চালান — চারটি পরীক্ষা, পরিশোধ ও বাকি, রশিদ, আর রিপোর্ট দেওয়ার অংশ

নমুনা ও রিপোর্ট

টিউবের লেবেল থেকে ডাক্তারের স্বাক্ষর পর্যন্ত

রোগীর স্লিপ স্ক্যান করলেই প্রতিটি টিউবের বারকোড লেবেল থার্মাল প্রিন্টারে ছাপে। ল্যাব নমুনা গ্রহণ করে, অথবা কারণসহ ফেরত দেয়। ফলাফল লেখা হয় সেন্টারের নিজের রেফারেন্স সীমার সাথে মিলিয়ে — কম, বেশি বা অস্বাভাবিক চিহ্নিত হয়। নিজের নামে সাইন ইন করা একজন ডাক্তার অনুমোদন ও স্বাক্ষর না করা পর্যন্ত রিপোর্ট দেওয়া যায় না।

  • আল্ট্রাসনোগ্রাম, এক্স-রে — নির্দিষ্ট ডাক্তারের কাছে যায়, টেমপ্লেট থেকে লেখা শুরু
  • অনুমোদিত রিপোর্ট বদলাতে কারণ লিখতে হয়; আগেরটা রেখে দেওয়া হয়, রিপোর্টে “সংশোধিত” লেখা থাকে
  • রিপোর্ট ছাপা, অথবা রোগীর মোবাইলে এসএমএসে গোপন লিংক — খুললে রিপোর্ট, স্বাক্ষর যাচাইসহ
  • রেফারেন্স সীমা সেন্টার নিজে বসায় — সফটওয়্যারে আগে থেকে কোনো সীমা নেই
সিবিসির ফলাফল — হিমোগ্লোবিন কম চিহ্নিত, রেফারেন্স সীমা, অনুমোদন ও স্বাক্ষরের বোতাম

অ্যানালাইজার

যন্ত্রের মান ঠিক টিউবে, তবে মানুষের অনুমতিতে

নেটওয়ার্ক বা সিরিয়াল (RS-232) ক্যাবলে ASTM ও HL7 যন্ত্রের সাথে যুক্ত হয়। যন্ত্র টিউবের বারকোড পড়ে জিজ্ঞেস করলে সেই টিউবের পরীক্ষাগুলো বলে দেয়। যন্ত্রের কোড আপনার পরীক্ষার সাথে আপনিই মেলান; একক না মিললে মানটি আটকে রাখে। কিউসি ও ক্যালিব্রেশনের রান রোগীর ফলাফলে ওঠে না।

  • Sysmex XN, Roche cobas e 411, Mindray BC/BS ও Abbott ARCHITECT-এর তৈরি সেটিং
  • প্রতিটি মান গ্রহণ বা কারণসহ বাতিল — কে করলেন লেখা থাকে
  • চালুর আগে আপনার নিজের যন্ত্রে পরীক্ষা করে নেওয়া হয়
অ্যানালাইজারের তালিকা ও সংযোগ, যন্ত্রের কোড আর পরীক্ষার মিল

ডাক্তার ও সিরিয়াল

সেন্টারের ডাক্তারদের সিরিয়াল — ডেস্কে আর অনলাইনে

প্রতিটি ডাক্তারের বসার দিন, সময় ও ফি। ডেস্ক থেকে সিরিয়াল, আর সেন্টারের নিজের ওয়েবসাইট বা পাবলিক পাতা থেকে রোগী নিজে — বিভাগ, নাম, দিন বা ফি দিয়ে খুঁজে। সেন্টারের কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও অনলাইনে আসল নম্বর দেওয়া যায়। কে এলেন, দেখা হলো, না এলেন না — লেখা থাকে।

  • চাইলে ডাক্তারের ফি সেন্টারের কাউন্টারে, ডাক্তারের ভাগ হিসাবে আলাদা
  • রোগী নিজের লিংক থেকে বাতিল করতে পারেন — প্রতিটি ডাক্তার নিজের সময়সীমা ঠিক করেন
  • ডাক্তারের চেম্বারের নির্ণয় Rx সেন্টারের সাথে যুক্ত করা যায়
ডাক্তারদের তালিকা — বসার দিন, সময় ও ফি

রেফারেল কমিশন

বিএমডিসি নম্বর লিখলেই ডাক্তার, আর তাঁর কমিশন

সেন্টারের নিজের আর বাইরের ডাক্তার আলাদা — প্রত্যেকের জন্য শতাংশ বা নির্দিষ্ট টাকা, বিভাগ অনুযায়ী আলাদাও হতে পারে। কাউন্টারে নাম বা বিএমডিসি নম্বর লিখলেই ডাক্তার আসেন, কমিশন চালানের পাশে দেখা যায়। চালানের টাকা পুরো পরিশোধ হলেই কমিশন প্রাপ্য হয়।

  • বাইরের ডাক্তারের তালিকা এক্সেল থেকে পেস্ট বা CSV ফাইল থেকে একবারে
  • কার কত পাওনা, কত দেওয়া হলো — রিপোর্ট আর হিসাবে
রেফারকারী ডাক্তারদের তালিকা, বিএমডিসি নম্বর ও কমিশনের নিয়ম

ফার্মেসি ও ক্যান্টিন

আগে যার মেয়াদ শেষ হবে, সেটিই আগে — মেয়াদ পেরোলে কখনো নয়

ওষুধের নাম লিখলে একই ওষুধের প্রতিটি লট আসে — কোন তাকে, কোন লট, কবে কেনা, কবে মেয়াদ শেষ। দাম যা বসানো আছে তাই; ছাড় দিতে অনুমতি লাগে। থার্মাল প্রিন্টারে ক্যাশ মেমো, ফেরত নিলে একই লটে ফিরে যায়। নিজের ফার্মেসি হলে আলাদা স্টক ও হিসাব; ভাড়া দেওয়া হলে সেন্টারের হিসাবের বাইরে।

  • মেমোতে বিআইএন আর ভ্যাট — দামের ভেতরে, উপরে যোগ করে নয়
  • ক্যান্টিনেরও একই কাউন্টার, নিজের স্টকে
ফার্মেসি কাউন্টার — একই ওষুধের লট, তাক, কেনার তারিখ ও মেয়াদ

ক্রয় ও স্টক

ক্রয় আদেশ, অনুমোদন, মাল গ্রহণ, মূল্য পরিশোধ

প্রতিটি স্টোরের জন্য সরবরাহকারীর কাছে ক্রয় আদেশ; একজন তৈরি করেন, অন্যজন অনুমোদন দেন। মাল এলে লট ও মেয়াদসহ গ্রহণ, কিছু ফেরত দেওয়া, আর বাকি টাকা পরিশোধ। সরবরাহকারীর ভ্যাট চালান ও তার ভ্যাট লেখা থাকে — রেয়াত নেবেন নাকি খরচে যোগ হবে, আপনি ঠিক করেন।

  • কোনটা কম আছে দেখে ক্রয় আদেশের খসড়া
  • আদেশ, গ্রহণ রসিদ ও ভাউচার বাংলা বা ইংরেজিতে ছাপা
  • উৎসে ভ্যাট কর্তন (ভিডিএস) পরিশোধের সময়
ক্রয় আদেশের তালিকা — সরবরাহকারী, স্টোর, অবস্থা ও মোট টাকা

যন্ত্রপাতি

প্রতিটি যন্ত্র — কোথায়, কার কাছে, কত মূল্য, কবে সার্ভিস

যন্ত্রের রেজিস্টার, বারকোড ট্যাগ ছাপা, মাস ধরে অবচয়। যে কেউ ট্যাগ দিয়ে যন্ত্রের ত্রুটি জানাতে পারেন — দরকার হলে যন্ত্রটি তখনই “বন্ধ” হয়ে যায়। মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার যন্ত্রাংশ, বাইরের মেরামতকারীর বিল, সার্ভিস প্ল্যান আর চুক্তিসহ কাজটি শেষ করেন।

  • কোন সার্ভিস, চুক্তি বা ওয়ারেন্টি সামনে শেষ — এক তালিকায়
  • বিক্রি বা বাতিল, হিসাবে লাভ-ক্ষতিসহ
যন্ত্রের রেজিস্টার — ট্যাগ, নাম, অবস্থান ও অবস্থা

হিসাব, ভ্যাট ও ঋণ

প্রতিটি টাকা দুই দিকেই লেখা — আর মাস শেষে মূসক-৯.১

প্রতিটি কাউন্টার, ক্রয়, বেতন ও খরচ একটাই ডাবল-এন্ট্রি খাতায়। ভ্যাটের শ্রেণি ও হার অ্যাডমিন নিজে বসান — ছাড়প্রাপ্ত চিকিৎসা সেবা, দামের ভেতরে ভ্যাটসহ সেবা — সফটওয়্যারে কোনো হার আগে থেকে নেই। মাস শেষে বিক্রি, ক্রয়, উৎসে কর্তন আর ডেবিট-ক্রেডিট নোট থেকে মূসক-৯.১ তৈরি হয়, উপ-ফরমসহ ছাপা যায় — জমা দেওয়ার আগে আপনার ভ্যাট পরামর্শককে দিয়ে মিলিয়ে নিন।

  • ব্যাংক ঋণ — সমান কিস্তি বা ক্রমহ্রাসমান স্থিতিতে, সিসি ও ওডির দৈনিক সুদ, রেট বদল, আগাম পরিশোধ
  • এফডিআর — সরল বা চক্রবৃদ্ধি সুদ, মাসে মাসে জমা, উৎসে কর, মেয়াদপূর্তি বা নবায়ন
  • রাতে নিজে থেকে দিন বন্ধ ও খাতা মিলিয়ে দেখা — কোনো গরমিল হলে মানুষকে জানায়, নিজে কিছু বানায় না
মূসক-৯.১ — বিক্রি ও ক্রয়ের নোট, উৎসে কর্তন ও প্রদেয় ভ্যাট

মানবসম্পদ ও বেতন

হাজিরা যন্ত্র থেকে বেতন বিবরণী পর্যন্ত

হাজিরা যন্ত্র (যেমন ZKTeco) নিজে থেকেই সেন্টারে পাঞ্চ পাঠায়; ইউএসবি বা হাতে লেখাও চলে। শিফট, ছুটির দিন, দেরি ও ওভারটাইম। বেতনের কাঠামো থেকে মাসের বেতন হাজিরা দেখে হিসাব হয় — অনুপস্থিতি, দেরি, প্রভিডেন্ট ফান্ড, কর আর অগ্রিম কাটা — একজন তৈরি করেন, আরেকজন অনুমোদন দেন, তারপর হিসাবে ওঠে।

  • বোনাস, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি — হার সেন্টারের নিজের নীতি অনুযায়ী
  • ছুটি কর্মদিবসে গোনা, বছরের প্রাপ্য আর আগের বছরের জমাসহ
  • প্রশিক্ষণ, সনদ আর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন
  • প্রত্যেক কর্মীর নিজের পাতা — হাজিরা, ছুটির আবেদন, বেতন বিবরণী
মাসের বেতন — প্রত্যেকের মোট, কর্তন ও নিট, অনুমোদনের অপেক্ষায়

কর্মীদের অ্যাপ

ফোন ও কম্পিউটারে — যা আপনার দেখা দরকার, তা-ই জানায়

কর্মীরা সেন্টারের নেটওয়ার্কে ফোন বা কম্পিউটারে অ্যাপটি বসিয়ে নেন। কোনো ফলাফল অনুমোদনের অপেক্ষায়, রিপোর্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, ছুটির আবেদন, বেতন অনুমোদন, ক্রয় আদেশ, যন্ত্রের ত্রুটি — যাঁর কাজ, শুধু তাঁকেই জানায়, অ্যাপ বন্ধ থাকলেও। নোটিফিকেশনে চাপলে ঠিক সেই রিপোর্ট, আবেদন বা চালানটি খোলে।

  • নোটিফিকেশনে রোগীর নাম থাকে না
  • প্রত্যেকে ঠিক করেন কোন ধরনের নোটিফিকেশন চান
  • অ্যান্ড্রয়েড, আইফোন (iOS ১৬.৪ বা পরের), উইন্ডোজ ও ম্যাক
ফোনে কর্মীদের অ্যাপ — ঘণ্টায় নোটিফিকেশনের তালিকা

নোটিফিকেশন

রিপোর্ট ও সতর্কতা

দিনের আদায় থেকে ক্যাশ কম পড়া পর্যন্ত

আদায়, বাকি, ছাড়, স্টক, ডাক্তার ও রেফারেল — চার্টসহ, এক্সেলে নামানো যায়। ক্যাশ কম পড়লে, বড় ছাড় দিলে, স্টক কমে গেলে বা মেয়াদ শেষের পথে — সতর্কতা আসে অ্যাপে, আর চাইলে ম্যানেজারের মোবাইলে এসএমএসে।

  • প্রতিটি নিয়মের সীমা আপনি ঠিক করেন
  • প্রতি রাতে দিনের সংক্ষিপ্ত হিসাব এসএমএসে
রিপোর্ট — দিনের আদায়ের চার্ট ও কাউন্টারভিত্তিক হিসাব

প্রশ্ন

সেন্টারের প্রশ্ন

ইন্টারনেট চলে গেলে কী হবে?
কিছুই থামে না। পুরো সিস্টেম চলে সেন্টারের নিজের কম্পিউটারে, আর কর্মীরা সেন্টারের নেটওয়ার্ক থেকে ব্রাউজারে কাজ করেন। ইন্টারনেট লাগে কেবল রোগীকে এসএমএস, অনলাইন সিরিয়াল আর ফোনে নোটিফিকেশন পাঠাতে — সেগুলো ইন্টারনেট ফিরলে যায়।
রোগীর তথ্য কি বাইরে যায়?
না। রোগী, রিপোর্ট, হিসাব ও কর্মীর তথ্য সেন্টারের কম্পিউটারেই, এনক্রিপ্ট করা অবস্থায়। ফোনের অ্যাপও সেন্টারের নিজের নেটওয়ার্কে, সেন্টারের নিজের সার্টিফিকেটে চলে। ফোনে যে নোটিফিকেশন যায় তাতে রোগীর নাম থাকে না — শুধু “চালান অমুক নম্বরের রিপোর্ট প্রস্তুত” এরকম।
মূসক-৯.১ কি সরাসরি জমা দেয়?
না। বিক্রি, ক্রয়, উৎসে কর্তন আর ডেবিট-ক্রেডিট নোট থেকে রিটার্নটি তৈরি করে দেয়, বাকি ঘর হাতে লেখা যায়, আর ছাপা যায়। ভ্যাটের হার ও শ্রেণি সেন্টার নিজে ঠিক করে — সফটওয়্যারে আগে থেকে কোনো হার বসানো নেই। জমা দেওয়ার আগে আপনার ভ্যাট পরামর্শককে দিয়ে মিলিয়ে নিন।
আমাদের অ্যানালাইজার চলবে?
নেটওয়ার্ক বা সিরিয়াল ক্যাবলে ASTM ও HL7 কথা বলা যন্ত্রের সাথে যুক্ত হয়; Sysmex XN, Roche cobas e 411, Mindray BC/BS ও Abbott ARCHITECT-এর তৈরি সেটিং আছে। তবু প্রতিটি যন্ত্র চালুর আগে আপনার নিজের যন্ত্রে পরীক্ষা করে নেওয়া হয়, আর যন্ত্রের পাঠানো মান একজন মানুষ গ্রহণ না করা পর্যন্ত রিপোর্টে ওঠে না।
দাম কত?
সেন্টারের আকার আর কোন কোন অংশ লাগবে — ল্যাব, ফার্মেসি, হিসাব, মানবসম্পদ — তা দেখে দাম ঠিক হয়। যোগাযোগ পাতায় লিখুন বা ফোন করুন।

আপনার সেন্টারে চালিয়ে দেখুন

কোন কোন অংশ লাগবে বলুন — আমরা দেখিয়ে দাম জানাব।