ফাউন্ডার দাম — প্রথম ১০০ জন ডাক্তারের জন্য ৪০% ছাড়

১০০টি জায়গা কিনুন

ভিডিও

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি দিন, কাউন্টার থেকে রিপোর্ট

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি দিন, কাউন্টার থেকে রিপোর্ট

এই ভিডিওর বাংলা ধারাবিবরণী তৈরি হচ্ছে। ততক্ষণ ইংরেজিতে দেখুন: A day at a diagnostic centre, from the counter to the report →

নিবন্ধন, টিউব, ফলাফল, সংকটজনক মান, রিপোর্ট আর তার পেছনের হিসাব — আসল সফটওয়্যার, বানানো রোগী দিয়ে।

ডায়াগনস্টিক সেন্টার সংস্করণ যোগাযোগ করুন

ধারাবিবরণী

বাংলা ধারাবিবরণী যে লেখা থেকে পড়া হবে, ক্রমানুসারে।

  1. নির্ণয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলে নিজের কম্পিউটারে। প্রত্যেক কর্মী নেটওয়ার্কের যেকোনো কম্পিউটার বা ফোন থেকে সাইন ইন করেন।
  2. কাউন্টারে নতুন রোগী আর তাঁর পরীক্ষা — দাম আসে সেন্টারের নিজের তালিকা থেকে।
  3. একটি ইনভয়েস — বারকোড আর আসল কিনা যাচাইয়ের কিউআরসহ, যা দিলেন তার রসিদ, আর যে ঘরে যাবেন তার প্রতিটির জন্য একটি স্লিপ।
  4. ছাপা ইনভয়েস — প্রতিটি পরীক্ষা আর তার ঘর, কত দেওয়া হলো আর কত বাকি, আর একটি কিউআর, যা স্ক্যান করলেই বোঝা যায় ইনভয়েসটি আসল।
  5. নমুনা সংগ্রহের ঘরে স্লিপ স্ক্যান করলেই তাঁর যত টিউব লাগবে সব চলে আসে, প্রতিটি তার ঢাকনার রঙসহ।
  6. প্রতিটি টিউবের বারকোড লেবেল সঙ্গে সঙ্গে ছাপা হয় — এক রোগীর টিউব আরেকজনের সঙ্গে আর গুলিয়ে যায় না।
  7. ল্যাবে প্রতিটি টিউব স্ক্যান করে গ্রহণ করা হয় — কোনো টিউব ফেরত দিলে কারণসহ, যাতে কাউন্টার রোগীকে আবার ডাকতে পারে।
  8. অ্যানালাইজার যুক্ত হয় নেটওয়ার্ক বা কেবল দিয়ে — সিসমেক্স, মাইন্ড্রে, রোশ, অ্যাবট। মানগুলো ঠিক টিউব আর ঠিক পরীক্ষায় গিয়ে বসে।
  9. ফল বসে ল্যাবের নিজের রেফারেন্স রেঞ্জ ধরে। সীমার বাইরে কিছু হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিহ্ন পড়ে — কম, বেশি, বা সংকটজনক।
  10. প্যাথলজিস্ট প্রতিটি ফল দেখে তবেই ছাড়েন। আব্দুল করিমের পটাশিয়াম ৬.৮ — ল্যাবের সংকট-সীমার ওপরে।
  11. অনুমোদন ও স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা ওঠে — প্রতিটি স্ক্রিনের ওপরে, যতক্ষণ না দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার জানান যে তিনি দেখেছেন।
  12. ল্যাব ফোন করে ডা. আরিফকে জানায়, কাকে কখন জানানো হলো তা লেখে — তবেই সতর্কতা নামে।
  13. সনোলজিস্ট রিপোর্ট লেখেন সেন্টারের নিজের টেমপ্লেট থেকে — শুধু যা আলাদা তা বদলে, তারপর স্বাক্ষর করেন।
  14. ডেলিভারিতে কাউন্টার দেখে কোনটি প্রস্তুত আর কত বাকি। বাকি টাকা দিলেই রিপোর্ট দেওয়া হয়।
  15. রিপোর্ট ছাপা হয় সেন্টারের নিজের প্যাডে — প্রতিটি মান তার রেফারেন্স রেঞ্জের পাশে, অস্বাভাবিকগুলো চিহ্নিত, অনুমোদনকারী ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ।
  16. সেন্টারের নিজের ডাক্তার আর তাঁদের চেম্বারের সময় — সিরিয়াল নেওয়া হয় ডেস্কে, ফোনে, বা সেন্টারের নিজের পেজ থেকে অনলাইনে।
  17. রিএজেন্ট আর টিউব খরচের সঙ্গে সঙ্গে হিসাব হয়। যা ফুরিয়ে আসছে, শেষ হওয়ার আগেই তা চিহ্নিত হয়।
  18. ক্রয় আদেশ তৈরি, অনুমোদন, আর তার বিপরীতে মাল গ্রহণ — সরবরাহকারীর ভ্যাট চালানসহ।
  19. শিফট শেষে প্রত্যেক ক্যাশিয়ারের ড্রয়ার গোনা হয়; কম পড়লে লুকোনো যায় না — কারণসহ লেখা থাকে।
  20. আর সবকিছুর নিচে ডাবল-এন্ট্রি হিসাব — ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক, বকেয়া, মজুদ আর ভ্যাট — সবসময় মিলে থাকে।
  21. কর্মীরা হাজিরা মেশিনে পাঞ্চ করেন; কে দেরিতে বা অনুপস্থিত তা পর্দাতেই, আর মাস শেষে সেটিই বেতনের হিসাব।
  22. সেন্টারের প্রতিটি অংশের রিপোর্ট — ছেঁকে নেওয়া যায়, চার্টে দেখা যায়, আর আসল এক্সেল ফাইলে নামানো যায়।
  23. আর জরুরি রিপোর্টগুলো প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে ইমেইলে যায় — মালিকের কাছে, বাংলা বা ইংরেজিতে, এক্সেল ফাইলসহ।
  24. অন্য সফটওয়্যার থেকে আসছেন? রোগী ও তাঁর ইতিহাস, দাম, কর্মী, মজুদ আর বকেয়া এক্সেল থেকে চলে আসে — আগে প্রতিটি সারি যাচাই হয়।
  25. আপনার সেন্টারে দেখতে চাইলে লিখুন [email protected]এ, নয়তো দেখুন nirnoyrx.com/centres।

আজই শুরু করুন

১৪ দিন বিনামূল্যে চালিয়ে দেখুন — পুরো সফটওয়্যার, কার্ড লাগবে না। ভালো না লাগলে মুছে ফেলবেন; চাইলে সরাসরি কিনেও নিতে পারেন।