ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি দিন, কাউন্টার থেকে রিপোর্ট
এই ভিডিওর বাংলা ধারাবিবরণী তৈরি হচ্ছে। ততক্ষণ ইংরেজিতে দেখুন: A day at a diagnostic centre, from the counter to the report →
নিবন্ধন, টিউব, ফলাফল, সংকটজনক মান, রিপোর্ট আর তার পেছনের হিসাব — আসল সফটওয়্যার, বানানো রোগী দিয়ে।
ধারাবিবরণী
বাংলা ধারাবিবরণী যে লেখা থেকে পড়া হবে, ক্রমানুসারে।
- নির্ণয় ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলে নিজের কম্পিউটারে। প্রত্যেক কর্মী নেটওয়ার্কের যেকোনো কম্পিউটার বা ফোন থেকে সাইন ইন করেন।
- কাউন্টারে নতুন রোগী আর তাঁর পরীক্ষা — দাম আসে সেন্টারের নিজের তালিকা থেকে।
- একটি ইনভয়েস — বারকোড আর আসল কিনা যাচাইয়ের কিউআরসহ, যা দিলেন তার রসিদ, আর যে ঘরে যাবেন তার প্রতিটির জন্য একটি স্লিপ।
- ছাপা ইনভয়েস — প্রতিটি পরীক্ষা আর তার ঘর, কত দেওয়া হলো আর কত বাকি, আর একটি কিউআর, যা স্ক্যান করলেই বোঝা যায় ইনভয়েসটি আসল।
- নমুনা সংগ্রহের ঘরে স্লিপ স্ক্যান করলেই তাঁর যত টিউব লাগবে সব চলে আসে, প্রতিটি তার ঢাকনার রঙসহ।
- প্রতিটি টিউবের বারকোড লেবেল সঙ্গে সঙ্গে ছাপা হয় — এক রোগীর টিউব আরেকজনের সঙ্গে আর গুলিয়ে যায় না।
- ল্যাবে প্রতিটি টিউব স্ক্যান করে গ্রহণ করা হয় — কোনো টিউব ফেরত দিলে কারণসহ, যাতে কাউন্টার রোগীকে আবার ডাকতে পারে।
- অ্যানালাইজার যুক্ত হয় নেটওয়ার্ক বা কেবল দিয়ে — সিসমেক্স, মাইন্ড্রে, রোশ, অ্যাবট। মানগুলো ঠিক টিউব আর ঠিক পরীক্ষায় গিয়ে বসে।
- ফল বসে ল্যাবের নিজের রেফারেন্স রেঞ্জ ধরে। সীমার বাইরে কিছু হলেই সঙ্গে সঙ্গে চিহ্ন পড়ে — কম, বেশি, বা সংকটজনক।
- প্যাথলজিস্ট প্রতিটি ফল দেখে তবেই ছাড়েন। আব্দুল করিমের পটাশিয়াম ৬.৮ — ল্যাবের সংকট-সীমার ওপরে।
- অনুমোদন ও স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে সতর্কতা ওঠে — প্রতিটি স্ক্রিনের ওপরে, যতক্ষণ না দায়িত্বপ্রাপ্ত ডাক্তার জানান যে তিনি দেখেছেন।
- ল্যাব ফোন করে ডা. আরিফকে জানায়, কাকে কখন জানানো হলো তা লেখে — তবেই সতর্কতা নামে।
- সনোলজিস্ট রিপোর্ট লেখেন সেন্টারের নিজের টেমপ্লেট থেকে — শুধু যা আলাদা তা বদলে, তারপর স্বাক্ষর করেন।
- ডেলিভারিতে কাউন্টার দেখে কোনটি প্রস্তুত আর কত বাকি। বাকি টাকা দিলেই রিপোর্ট দেওয়া হয়।
- রিপোর্ট ছাপা হয় সেন্টারের নিজের প্যাডে — প্রতিটি মান তার রেফারেন্স রেঞ্জের পাশে, অস্বাভাবিকগুলো চিহ্নিত, অনুমোদনকারী ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ।
- সেন্টারের নিজের ডাক্তার আর তাঁদের চেম্বারের সময় — সিরিয়াল নেওয়া হয় ডেস্কে, ফোনে, বা সেন্টারের নিজের পেজ থেকে অনলাইনে।
- রিএজেন্ট আর টিউব খরচের সঙ্গে সঙ্গে হিসাব হয়। যা ফুরিয়ে আসছে, শেষ হওয়ার আগেই তা চিহ্নিত হয়।
- ক্রয় আদেশ তৈরি, অনুমোদন, আর তার বিপরীতে মাল গ্রহণ — সরবরাহকারীর ভ্যাট চালানসহ।
- শিফট শেষে প্রত্যেক ক্যাশিয়ারের ড্রয়ার গোনা হয়; কম পড়লে লুকোনো যায় না — কারণসহ লেখা থাকে।
- আর সবকিছুর নিচে ডাবল-এন্ট্রি হিসাব — ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, ব্যাংক, বকেয়া, মজুদ আর ভ্যাট — সবসময় মিলে থাকে।
- কর্মীরা হাজিরা মেশিনে পাঞ্চ করেন; কে দেরিতে বা অনুপস্থিত তা পর্দাতেই, আর মাস শেষে সেটিই বেতনের হিসাব।
- সেন্টারের প্রতিটি অংশের রিপোর্ট — ছেঁকে নেওয়া যায়, চার্টে দেখা যায়, আর আসল এক্সেল ফাইলে নামানো যায়।
- আর জরুরি রিপোর্টগুলো প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহে বা প্রতি মাসে ইমেইলে যায় — মালিকের কাছে, বাংলা বা ইংরেজিতে, এক্সেল ফাইলসহ।
- অন্য সফটওয়্যার থেকে আসছেন? রোগী ও তাঁর ইতিহাস, দাম, কর্মী, মজুদ আর বকেয়া এক্সেল থেকে চলে আসে — আগে প্রতিটি সারি যাচাই হয়।
- আপনার সেন্টারে দেখতে চাইলে লিখুন [email protected]এ, নয়তো দেখুন nirnoyrx.com/centres।
আরও ভিডিও
নির্ণয় Rx-এর পুরো পরিচয়
প্রেসক্রিপশন, ইনহেলার ও ইনসুলিন, রোগীর ফোন, ল্যাবের সতর্কতা, শিশুর বৃদ্ধি, ছবি, অনলাইন সিরিয়াল আর রেজিস্টার — ডাক্তারের নিজের চেম্বারের জন্য।
ওয়ার্ডের একটি দিন, ভর্তি থেকে বিল
বেড বোর্ড, ভর্তি, রাউন্ড, নার্সিং চার্ট, জরুরি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার, বিল আর রিপোর্ট — আসল সফটওয়্যার, বানানো রোগী দিয়ে।
আজই শুরু করুন
১৪ দিন বিনামূল্যে চালিয়ে দেখুন — পুরো সফটওয়্যার, কার্ড লাগবে না। ভালো না লাগলে মুছে ফেলবেন; চাইলে সরাসরি কিনেও নিতে পারেন।

