ফাউন্ডার দাম — প্রথম ১০০ জন ডাক্তারের জন্য ৪০% ছাড়

১০০টি জায়গা কিনুন

ভিডিও

নির্ণয় Rx-এর পুরো পরিচয়

নির্ণয় Rx-এর পুরো পরিচয়

এই ভিডিওর বাংলা ধারাবিবরণী তৈরি হচ্ছে। ততক্ষণ ইংরেজিতে দেখুন: A walk through Nirnoy Rx →

প্রেসক্রিপশন, ইনহেলার ও ইনসুলিন, রোগীর ফোন, ল্যাবের সতর্কতা, শিশুর বৃদ্ধি, ছবি, অনলাইন সিরিয়াল আর রেজিস্টার — ডাক্তারের নিজের চেম্বারের জন্য।

ডাক্তারের চেম্বারের সব সুবিধা যোগাযোগ করুন

ধারাবিবরণী

বাংলা ধারাবিবরণী যে লেখা থেকে পড়া হবে, ক্রমানুসারে।

  1. এটি নির্ণয় Rx। এটি বসানো থাকে ডাক্তারের নিজের কম্পিউটারে — কোনো ওয়েবসাইটে লগ ইন করতে হয় না, কোনো অ্যাকাউন্টও মনে রাখতে হয় না।
  2. প্র্যাকটিসের তথ্য একবারই বসাতে হয় — ডিগ্রি, বিএমডিসি নম্বর, প্রতিটি চেম্বার আর তার ফি।
  3. যত রোগী কখনো দেখেছেন, সবাই তালিকায় আছেন — নাম, রোগী নম্বর বা মোবাইল নম্বর দিয়ে খুঁজে নিন।
  4. রোগীর ফাইলে আগের প্রতিটি ভিজিট, দেওয়া প্রতিটি ওষুধ, আর সবার ওপরে তাঁর অ্যালার্জি।
  5. নতুন প্রেসক্রিপশন শুরু হয় ওই ফাইল থেকেই, ফাঁকা পাতা থেকে নয় — রোগীর ইতিহাস আগে থেকেই সামনে থাকে।
  6. অভিযোগ, পরীক্ষার ফল, রোগনির্ণয় — লিখে, বা মুখে বলে। APD লিখলেই চলে আসে অ্যাসিড পেপটিক ডিজিজ, সংক্ষিপ্ত রূপসহ।
  7. আর লেখার সঙ্গে সঙ্গে গুনে দেখায় আপনার নিজের আগের ভিজিট। শেষ চৌদ্দটির নয়টিতে — এটা আপনার নিজের অভ্যাস, বাইরের পরামর্শ নয়।
  8. ওষুধের তালিকাটি DGDA-র নিবন্ধিত তালিকা — আটত্রিশ হাজার দুইশ দুইটি ওষুধ, ব্র্যান্ড বা জেনেরিক নামে।
  9. আর লেখার সময়েই যাচাই করে: এই রোগীর পেনিসিলিনে অ্যালার্জি আছে। এই যাচাই চলে এই কম্পিউটারেই — বিনামূল্যে, ইন্টারনেট ছাড়া, প্রতিবার একই উত্তর।
  10. ডোজ মুখে বললেই হয় — দিনে তিনবার, সাত দিন, খাওয়ার পর — ঘরগুলো নিজেরাই ভরে যায়।
  11. যেকোনো লাইনে একই জেনেরিকের অন্য ব্র্যান্ডও দেখা যায়, আপনার লেখা দাম ধরে প্রতি ডোজের খরচসহ — এই দাম রোগীর কাগজে ছাপা হয় না।
  12. জাতীয় গাইডলাইনের চিকিৎসা-পরিকল্পনা আসে টেমপ্লেট হিসেবে — একটি বেছে নিন, যে অংশটুকু দরকার শুধু সেটুকু নিন, আর প্যাডে বসানোর আগে পড়ে নিন।
  13. ল্যাব রিপোর্টের ছবি তুললে মানগুলো ভিজিটে বসে যায় — আর যা পড়া যায়নি, তা নাম ধরে বলে দেয়।
  14. এআই পুরো ফাইল পড়ে সংক্ষেপ লিখে দেয় — আর খরচ করার আগেই বলে দেয় কত লাগবে।
  15. খরচ দেওয়ার দুটি উপায়: নিজের এপিআই কী, নয়তো আমাদের কাছ থেকে কেনা ক্রেডিট। যেভাবেই হোক, খরচটা পর্দাতেই দেখা যায়।
  16. ইনহেলার, স্প্রে, ইনসুলিন আর ইনজেকশন লেখা হয় যার যার নিজের ধরনে — কত পাফ, কোন নাকে, চামড়ার নিচে কত ইউনিট।
  17. আর প্রতিটির সঙ্গের নির্দেশনা নিজেই চলে আসে: মুখ কুলি করুন, ব্যবহারের আগে ঝাঁকিয়ে নিন, ফ্রিজে রাখুন।
  18. আর রোগীর নিজের রিপোর্টের সঙ্গে আপনার লেখা মিলিয়ে দেখে। eGFR আটাশ, অথচ মেটফরমিন — স্বাক্ষরের আগেই তা জানিয়ে দেয়, রিপোর্টের তারিখসহ।
  19. যে পরীক্ষা একাধিকবার হয়েছে, তা চার্ট হয়ে যায় — ক্রিয়েটিনিন বাড়ছে, এইচবিএওয়ানসি কমছে।
  20. ছাপা হয় ডাক্তারের নিজের প্যাডে। নিচে থাকে একটি কিউআর কোড — তার ভেতরে প্রেসক্রিপশনটিই, এই প্র্যাকটিসের চাবি দিয়ে স্বাক্ষর করা।
  21. প্রিভিউতে কাগজের পাশেই প্রতিটি অংশের সেট: একটি চাপলেই তা প্রেসক্রিপশনে উঠে যায় — আর চাইলে যা লেখা আছে তা নিজের সেট হিসেবে রেখে দিন।
  22. রোগী কোডটি স্ক্যান করেন: ওষুধগুলো বাংলায়, বড় করে, দিনের কোন সময়ে খাবেন তা-সহ — আর ডাক্তারের স্বাক্ষর যাচাই হয় তাঁর নিজের ফোনেই।
  23. যাঁর দরকার, তাঁর জন্য ইংরেজি এক চাপ দূরে।
  24. আর রিমাইন্ডার: ওষুধের সময়গুলো ফোনের ক্যালেন্ডার বা অ্যালার্মে চলে যায়, আর কোর্স শেষ হলে নিজেই থেমে যায়।
  25. রেকর্ড থেকেই তৈরি হয় রেফারেল চিঠি — পরীক্ষার ফল, আজকের ওষুধ, আর যে ল্যাব ভ্যালুগুলো বদলেছে।
  26. ছাপা হয় ডাক্তারের নিজের লেটারহেডে — প্রতিটি লাইন হয় তাঁর নিজের কথা, নয়তো ল্যাবরেটরির নিজের সংখ্যা।
  27. সার্টিফিকেটও লেখা হয় একইভাবে — অসুস্থতার ছুটি, ফিটনেস, ভ্রমণ — রেকর্ড থেকে, ক্রমিক নম্বরসহ, বিএমডিসি নম্বরের ওপরে।
  28. শিশুর মাপ বসানোর সঙ্গে সঙ্গে তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৃদ্ধি-চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়, আর প্রতিটি ভিজিট চার্টে ওঠে।
  29. আর ইপিআই টিকার সূচি চলে জন্মতারিখ থেকে — কোন ডোজ বাকি, কোনটির সময় পেরিয়ে গেছে — টিকা কার্ড থাকুক বা না থাকুক।
  30. শিশুর ডোজ হিসাব হয় ওজন ধরে, ডাক্তারের নিজের ঠিক করা কেজি-প্রতি মিলিগ্রাম থেকে — আর সিরাপ লেখা হয় চামচের মাপে।
  31. রোগীর সম্মতি নিয়ে র‍্যাশ বা ক্ষতের আগে-পরের ছবি পাশাপাশি মিলিয়ে দেখা যায় — আর তা থাকে শুধু প্র্যাকটিসের নিজের ফাইলে।
  32. আগের সন্ধ্যায় ডেস্ক দেখায় কাল কারা ফিরবেন, আর কার ওষুধ ফুরিয়ে আসছে। রিমাইন্ডার পাঠাতে এক চাপ, খরচ পর্দাতেই লেখা।
  33. ডেস্কে আজ সন্ধ্যার সিরিয়াল — কে এসেছেন, কে ডাক্তারের ঘরে, কত ফি উঠেছে।
  34. আর ক্যালেন্ডার: প্রতিদিনের সিরিয়াল, অ্যাপয়েন্টমেন্ট আর ফলো-আপ — সামনের কোনো দিনের সিরিয়ালও আগেই দেওয়া যায়।
  35. তিনটি চেম্বার, ফি ভাগের তিন রকম হিসাব, আর একটিই প্রশ্ন — কোনটির কত বাকি, আর কার কাছে।
  36. আর রোগ রেজিস্টার: প্র্যাকটিসের প্রত্যেক ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগী, আর কার কোন পরীক্ষা বা ভিজিট বাকি।
  37. রোগী নিজের ফোনে চেম্বারের লিংক থেকে সিরিয়াল নেন — ডাক্তার চাইলে বিকাশে অগ্রিম টাকাসহ।
  38. তাঁর নিজের লিংকে দেখা যায় সিরিয়াল নম্বর আর আনুমানিক কখন আসবেন — সন্ধ্যা দেরিতে চললে সময়ও সরে যায়।
  39. অপেক্ষার ঘরের জন্য একটি পর্দা: এখন কোন নম্বর দেখা হচ্ছে, আর সন্ধ্যা কতটা দেরিতে চলছে।
  40. আর সহকারী সিরিয়াল সামলান নিজের ফোন থেকে — চেম্বারের ওয়াই-ফাইতে, বা বাইরে থেকেও, সব তথ্য সুরক্ষিত রেখে।
  41. পুরো সফটওয়্যার চৌদ্দ দিন বিনামূল্যে ব্যবহার করে দেখুন — কোনো টাকা লাগে না, কিছু বাতিলও করতে হয় না।
  42. তারপর একবার কিনলেই সফটওয়্যারটি আপনার। শুরু করুন nirnoyrx.com-এ, নয়তো লিখুন [email protected] ঠিকানায়।

আজই শুরু করুন

১৪ দিন বিনামূল্যে চালিয়ে দেখুন — পুরো সফটওয়্যার, কার্ড লাগবে না। ভালো না লাগলে মুছে ফেলবেন; চাইলে সরাসরি কিনেও নিতে পারেন।