প্রথম সংস্করণ
চেম্বারের পুরো সন্ধ্যা — সিরিয়াল থেকে প্রেসক্রিপশন, ফি, ব্যাকআপ পর্যন্ত।
প্রেসক্রিপশন
- DGDA-র নিবন্ধিত ওষুধের পূর্ণ তালিকা — ব্র্যান্ড বা জেনেরিক, প্রতিটি মাত্রা ও ফর্ম।
- বাংলাদেশ জাতীয় ফর্মুলারি থেকে ডোজ — ১,১০৬টি মনোগ্রাফ, সূত্রসহ, তথ্যসূত্র হিসেবে।
- নিজের প্যাডেও ছাপানো যায়, আর প্রেসক্রিপশন বাংলাতেও লেখা যায়।
লেখার সময় যাচাই
- রোগীর ফাইলে লেখা অ্যালার্জি ওষুধের পরিবার মিলিয়ে ধরা হয় — “পেনিসিলিন” লেখা থাকলে “মোক্সাসিল” ধরা পড়ে।
- একই ওষুধ দুবার, দৈনিক সর্বোচ্চ মাত্রা, আর ফর্মুলারির ১,৩২১টি ইন্টার্যাকশন।
- যাচাই কখনো “কোনো সমস্যা নেই” বলে না — কতগুলো মেলানো গেল আর কোনগুলো গেল না, প্রতিবার লেখা থাকে।
AI সহায়তা
- ল্যাব রিপোর্টের ছবি থেকে মান তুলে নেওয়া — যা পড়া যায়নি তা নাম ধরে বলে, অনুমান করে না।
- অনেকবার আসা রোগীর ইতিহাস এক পাতায়, প্রতিটি লাইনের পাশে কোন ভিজিট থেকে এসেছে লেখা।
- লেখা গোছানো, কী দিতে পারেন তার তালিকা, আর রোগীর জন্য বাংলায় পরামর্শ।
- প্রতিটি বোতামের পাশে চাপার আগেই আনুমানিক টাকা লেখা থাকে।
ডেস্ক ও সিরিয়াল
- সহকারীর নিজের মোবাইলই ডেস্ক — ছয় সংখ্যার কোডে যুক্ত হয়, কোনো অ্যাকাউন্ট লাগে না।
- অনলাইনে সিরিয়াল, চাইলে বিকাশে ডিপোজিটসহ, আর রোগীর নিজের লিংকে তাঁর সময়।
- সন্ধ্যা দেরিতে শুরু হলে পুরো সারিকে একটি বার্তায় জানানো যায় — একবার চেপে বিশজন।
- চাইলে নির্ণয় Rx থেকে এসএমএস কিনে নিলে বার্তা নিজে থেকেই চলে যায়।
নিরাপত্তা ও লাইসেন্স
- রোগীর সব তথ্য আপনার নিজের কম্পিউটারে, AES-256 এনক্রিপশনে। আমাদের সার্ভারে কিছু যায় না।
- লাইসেন্স অফলাইনে যাচাই হয় — ইন্টারনেট না থাকলেও সফটওয়্যার বন্ধ হয় না।
- কেনার সময় বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন যাচাই হয়; যাচাই না হওয়া পর্যন্ত লাইসেন্স আটকে থাকে।
- এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ — পেনড্রাইভে বা নিজের গুগল ড্রাইভে।