AI সহায়তা
ডাক্তারি আপনি করবেন। টাইপিংটা ও করুক।
নির্ণয় Rx-এর AI প্রেসক্রিপশন লেখে না, রোগ নির্ণয়ও করে না — বোতামে না চাপলে কিছুই করে না। এটি শুধু লেখার কাজ কমায়, আর কাজটা করার আগেই বলে দেয় কত টাকা লাগবে।
সই আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার
সহকারীর দেওয়া কিছুই নিজে থেকে প্রেসক্রিপশনে বসে না। আপনি তুলে না নিলে ওটা পর্দাতেই থেকে যায়।
বন্ধ রাখলেও সব চলে
AI ছাড়াও প্রেসক্রিপশন, রোগীর ফাইল, ওষুধের তালিকা, ডেস্ক — সবই আগের মতো। AI একটি সুবিধা, শর্ত নয়।
চাপার আগেই দাম
প্রতিটি বোতামের পাশে আনুমানিক টাকা লেখা থাকে। বিল দেখে খরচ জানতে হয় না।
ছয়টি কাজ
যা যা করে, আর প্রতিটির সীমা
ল্যাব রিপোর্ট পড়ে নেয়
রিপোর্টের ছবি তুলুন — মানগুলো ফাইলে উঠে যায়।
লেখা গুছিয়ে দেয়
তাড়াহুড়োর নোটকে অভিযোগ, পরীক্ষা ও রোগনির্ণয়ে সাজায়।
কী দিতে পারেন, মনে করিয়ে দেয়
জেনেরিক নাম, কারণসহ — প্রেসক্রিপশন নয়, তালিকা।
যা লিখেছেন তা একবার দেখে
বাদ পড়া কিছু আছে কি না, চোখ বুলিয়ে দেয়।
রোগীর জন্য বাংলায় পরামর্শ
রোগী বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন এমন ভাষায়।
পুরো ইতিহাস সংক্ষেপে
অনেকবার আসা রোগীর ফাইল এক পাতায়, সূত্রসহ।
ল্যাব রিপোর্ট
রিপোর্টের ছবি তুলুন, মানগুলো ফাইলে উঠে যাক
CBC, ক্রিয়েটিনিন, HbA1c — ছবিটি তুললে কাগজে যা ছাপা আছে তা হুবহু ফাইলে উঠে যায়: মান, একক, আর ওই ল্যাবের নিজের রেফারেন্স রেঞ্জ। পরের বার আগের রিপোর্টের পাশে বসিয়ে দেখা যায়, কাগজ খুঁজতে হয় না।
- ব্যাখ্যা করে না — রিপোর্ট নিজে যা চিহ্নিত করেছে কেবল তা-ই চিহ্নিত থাকে।
- একক বদলায় না — দুই ল্যাবের দুই একক মিলিয়ে ফেললে তুলনাটাই মিথ্যে হয়ে যায়।
- যা পড়া যায়নি তা নাম ধরে বলে দেয় — অনুমান করে বসায় না।
- গতবারের মান পাশে বসিয়ে দেয়, আর রিপোর্টের নিজের রেঞ্জের বাইরে গেলে দেখিয়ে দেয় — এটি হিসাব, ব্যাখ্যা নয়।
- ছবিটি ফাইলে রাখা হয় না; মানগুলো থাকে। কাগজটা তো আপনার কাছেই আছে।
রোগীর ইতিহাস
বারো বার আসা রোগীর ফাইল, এক পাতায়
যে রোগী অনেকবার এসেছেন, তাঁর ফাইলে সহকারী এক পাতায় লিখে দেয় — কী চলছে, কী মিটে গেছে, কোন ওষুধ বারবার দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি লাইনের পাশে লেখা থাকে কোন ভিজিট থেকে এসেছে, যাতে বিশ্বাস করতে না হয় — দেখে নেওয়া যায়।
- অ্যালার্জি আর চলতি ওষুধ কখনো সংক্ষেপ করা হয় না — ফাইল থেকে হুবহু ছাপা হয় পাশে।
- ফাইলে যা নেই, সেটাও বলে দেয় — চুপ করে থাকে না।
- তিনবারের কম ভিজিট হলে সংক্ষেপ করার প্রস্তাবই দেয় না।
খরচ
দাম টাকায়, চাপার আগেই
দুটি পথ আছে। নিজের API key থাকলে বসিয়ে দিন — তখন আমাদের কিছুই দিতে হয় না, সরাসরি সরবরাহকারীকে দেবেন। key না থাকলে আমাদের কাছ থেকে ক্রেডিট কিনে নিন। যেভাবেই হোক, বোতামের পাশে আগেই লেখা থাকে কত লাগতে পারে।
- সাধারণ কাজে ১–৫ টাকা; ল্যাব রিপোর্ট পড়াতে ২–৫ টাকার মতো।
- কত খরচ হলো তার হিসাব সফটওয়্যারেই থাকে — কোন কাজে কত, দেখে নিতে পারবেন।
- খরচ বেশি হলে আগে বলে, চুপচাপ কেটে নেয় না।
সীমা
যে কাজগুলো ইচ্ছে করেই AI-কে দেওয়া হয়নি
ভুল হলে যেখানে রোগীর ক্ষতি হয়, সেখানে সাধারণ কোড — প্রতিবার একই উত্তর, ইন্টারনেট ছাড়াই, বিনা খরচে।
অ্যালার্জি ও ইন্টার্যাকশন যাচাই
রোগীর ফাইলে লেখা অ্যালার্জি আর WHO-র নামের ধারা মিলিয়ে ধরা হয় — “পেনিসিলিন” লেখা থাকলে “মোক্সাসিল” ধরা পড়ে। ফর্মুলারির ১,৩২১টি ইন্টার্যাকশনও ওখান থেকেই। কোনো মডেল নেই।
ডোজ ও সর্বোচ্চ মাত্রা
বাংলাদেশ জাতীয় ফর্মুলারি থেকে সরাসরি — ১,১০৬টি মনোগ্রাফ। লেখা থাকে কোথা থেকে এসেছে, আর এটি তথ্যসূত্র, নির্দেশ নয়।
এবং যেটা সবচেয়ে জরুরি: যাচাই কখনো বলে না “কোনো সমস্যা নেই”। কতগুলো ওষুধ মেলানো গেল আর কোনগুলো গেল না, প্রতিবার লিখে দেয় — কারণ নীরবতাকে নিরাপত্তা ভেবে নেওয়া সবচেয়ে বিপজ্জনক অভ্যাস।
প্রশ্ন