R x

ট্রায়াল

১৪ দিন, নিজের চেম্বারে

পুরো সফটওয়্যার, কিছু বন্ধ করা নেই। কার্ড লাগবে না, বাতিল করারও কিছু নেই — ভালো না লাগলে মুছে ফেলবেন। চাইলে ট্রায়াল ছাড়াই সরাসরি কিনে নিতে পারেন।

কে চালাবেন, বলুন

নাম আর বিএমডিসি নিবন্ধন নম্বর। প্রেসক্রিপশন লেখার সফটওয়্যার — কে লিখছেন, সেটা আমরা দেখে নিই।

লিংক ইমেইলে যাবে

নিবন্ধন আগে যাচাই করা থাকলে সাথে সাথেই; নতুন নম্বর হলে একজন মানুষ মিলিয়ে দেখেন — সাধারণত এক কর্মদিবসের মধ্যে।

১৪ দিন, রোজকার কাজের সবটুকু

প্রেসক্রিপশন, রোগীর ফাইল, ওষুধের তালিকা, যাচাই, ফি, রিপোর্ট, ব্যাকআপ — সব খোলা। কার্ড লাগে না, বাতিল করারও কিছু নেই।

ট্রায়ালের জন্য বলুন

বিএমডিসিতে যে নামে নিবন্ধন।

নম্বর আর নাম — দুটোই মিলিয়ে দেখা হয়।

ডাউনলোড লিংক এখানেই যাবে।

এই তথ্য শুধু নিবন্ধন যাচাই আর লিংক পাঠানোর জন্য। রোগীর কোনো তথ্য আমাদের কাছে কখনো আসে না — গোপনীয়তার নীতি।

ট্রায়ালে যা নেই

অনলাইন সিরিয়াল আর রোগীর নিজের লিংক — ওগুলো আমাদের সার্ভারে চলে, তাই লাইসেন্সের সাথে।

গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ। পেনড্রাইভ বা নিজের ফোল্ডারে ব্যাকআপ ট্রায়ালেও পুরোপুরি চলে।

ট্রায়ালে ছাপানো প্রেসক্রিপশনের কোণে ছোট করে লেখা থাকে “ট্রায়াল কপি”।

১৪ দিন পরে

কিছু হারায় না

১৪ দিন পেরোলে নতুন কিছু লেখা যায় না — নতুন ভিজিট, প্রেসক্রিপশন বা ফি। কিন্তু সফটওয়্যার খোলে: সব রোগীর ফাইল পড়া যায়, পুরনো প্রেসক্রিপশন আবার ছাপানো যায়, আর পুরো ব্যাকআপ পেনড্রাইভে নিয়ে নেওয়া যায়। ওগুলো আপনার লেখা, আমাদের নয়। লাইসেন্স কী বসালেই যেখানে ছিলেন সেখান থেকে আবার চলবে।