R x

নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা

রোগীর কথা রোগীর কাছেই থাকে

একজন রোগী আপনাকে যা বলেন, তা তিনি আপনাকেই বলেন — কোনো সফটওয়্যার কোম্পানিকে নয়। নির্ণয় Rx সেভাবেই বানানো: আপনার প্র্যাকটিসের পুরোটা আপনার নিজের কম্পিউটারে একটি এনক্রিপ্ট করা ফাইলে থাকে, যেটি আমরা খুলতে পারি না।

AES-256, আপনার মেশিনে

পুরো ডেটাবেস এনক্রিপ্ট করা (SQLCipher)। ফাইলটি কেউ কপি করে নিয়ে গেলেও ভেতরে কিছু পড়তে পারবে না।

চাবি দুই জায়গায়

একটি মেশিনের নিজস্ব সুরক্ষায় — তাই রোজ পাসওয়ার্ড দিতে হয় না; আরেকটি আপনার recovery passphrase-এ — তাই নতুন মেশিনেও ফেরানো যায়।

আমাদের সার্ভারে কিছুই নেই

রোগীর নাম পর্যন্ত আমাদের কাছে আসে না। কোনো ক্লাউড অ্যাকাউন্ট নেই, লগইন নেই, সিঙ্ক নেই।

চাবি কীভাবে রাখা

দুইবার মোড়ানো, দুই কারণে

ডেটাবেসের আসল চাবিটি যন্ত্রে তৈরি একটি এলোমেলো ৩২ বাইট — কেউ অনুমান করতে পারবে না। সেটিকে দুইভাবে মুড়ে রাখা হয়। একবার Windows বা macOS-এর নিজস্ব চাবিঘরে, যাতে আপনার মেশিনে অ্যাপটি নিজেই খুলতে পারে। আরেকবার আপনার recovery passphrase থেকে বানানো চাবিতে (scrypt), যাতে ব্যাকআপ অন্য মেশিনে খোলা যায়।

  • রোজ পাসওয়ার্ড দিতে হয় না — চেম্বারে এটাই দরকার
  • ব্যাকআপে কেবল দ্বিতীয় মোড়কটি থাকে, তাই passphrase ছাড়া অকেজো
  • passphrase বদলাতে পারেন, পুরোনো ব্যাকআপ পুরোনো passphrase-এই খুলবে
a9 f2 1c7b 04 e8d3 55 9a 2e c7 408f 1b 6d05 aa 93

বাইরে কী যায়

অনলাইন সিরিয়ালে ঠিক ততটুকুই যায়, যতটুকু না গেলেই নয়

চেম্বারের কম্পিউটার একটি রিলে সার্ভারের সাথে লাইন খোলা রাখে, আর বাইরের কেউ কেবল ছয়টি নির্দিষ্ট ঠিকানা চাইতে পারে — বোর্ড, একজন রোগীর নিজের জায়গা, আর সিরিয়াল নেওয়ার পাতা। এর বাইরে কিছু চাইলে আপনার নিজের মেশিনই মানা করে দেয়, রিলে নয়। অর্থাৎ রিলে সার্ভারটি কারও দখলে চলে গেলেও রোগীর তালিকা চাইতে পারবে না।

  • প্রেসক্রিপশন, রোগ নির্ণয় বা ওষুধ কখনোই রিলেতে যায় না
  • রিলে বন্ধ থাকে যতক্ষণ না আপনি চালু করেন, আর অ্যাপ বন্ধ করলেই বন্ধ
  • চেম্বারের কোনো স্থায়ী ঠিকানা বা পোর্ট খোলার দরকার নেই

ব্যাকআপ

কপিটিও ঠিক ততটাই বন্ধ

ব্যাকআপ একটি ফাইল — পেনড্রাইভে রাখুন বা নিজের গুগল ড্রাইভে। গুগল ড্রাইভে রাখলেও ভেতরে কী আছে গুগল দেখতে পায় না, কারণ ফাইলটি আপনার passphrase দিয়ে বন্ধ। আমরা যে অনুমতি চাই সেটিও সীমিত: কেবল আমাদের নিজের তৈরি ফাইলগুলোই দেখতে পাই, আপনার ড্রাইভের বাকি কিছু নয়।

  • ফাইলটি খুলতে passphrase লাগে — আমাদেরও লাগবে, আমাদের কাছে নেই
  • গুগল ড্রাইভে drive.file অনুমতি, আপনার বাকি ফাইল আমরা দেখি না
  • ব্যাকআপ কবে নেওয়া হয়েছিল, পর্দায় লেখা থাকে

যাঁরা বিস্তারিত চান

এক নজরে কারিগরি দিকটা

ডেটাবেস SQLite, SQLCipher — AES-256
চাবি ৩২ বাইট এলোমেলো; OS key store + scrypt (N=2¹⁵, r=8) দিয়ে দুইবার মোড়ানো
লাইসেন্স Ed25519 সই, মেশিনে বাঁধা, অফলাইনে যাচাই
রিলে শুধু ছয়টি পাবলিক পাথ; মানা করে চেম্বারের মেশিন, রিলে নয়
গুগল ড্রাইভ OAuth PKCE, শুধু drive.file স্কোপ
ওষুধের তালিকা সই করা ডেটা ফাইল; সই না মিললে নেওয়া হয় না

কোনো নিরাপত্তা-ত্রুটি চোখে পড়লে security@nirnoyrx.com-এ জানাবেন। আমরা উত্তর দিই, এবং ঠিক করার পর কী হয়েছিল তা লিখেও জানাই।

প্রশ্ন

যেগুলো ডাক্তাররা সত্যিই জিজ্ঞেস করেন

আমার রোগীর তথ্য কি আপনারা দেখতে পারেন?
না। তথ্য আপনার কম্পিউটারে একটি এনক্রিপ্ট করা ফাইলে থাকে, আর সেটি খোলার চাবি আপনার মেশিনে ও আপনার recovery passphrase-এ। আমাদের কাছে কোনোটিই নেই। আদালত আমাদের বললেও আমরা দিতে পারব না — আমাদের কাছে থাকলে তো!
ল্যাপটপ চুরি হলে?
ফাইলটি এনক্রিপ্ট করা — হার্ডডিস্ক খুলে অন্য কম্পিউটারে লাগালেও পড়া যাবে না, কারণ চাবিটি ওই মেশিনের নিজস্ব সুরক্ষায় (Windows-এ DPAPI, Mac-এ Keychain) বাঁধা। ব্যাকআপ থেকে নতুন মেশিনে আপনি সব ফিরিয়ে আনতে পারবেন।
recovery passphrase ভুলে গেলে?
যে মেশিনে সফটওয়্যার চলছে সেখানে কিছুই হবে না — সেটি নিজের চাবিতেই খোলে। কিন্তু ব্যাকআপ ফাইলটি আর কখনো খোলা যাবে না, আমরাও পারব না। এটি দুর্বলতা নয়, এটিই মূল কথা: যে ব্যাকআপ আমরা খুলতে পারি, সেটি অন্য কেউও পারে। তাই passphrase লিখে চেম্বারের বাইরে কোথাও রাখুন।
অনলাইন সিরিয়ালের সময় কী কী বাইরে যায়?
রোগী যা নিজে লিখেছেন — নাম, মোবাইল, বয়স, আর “কী সমস্যা” ঘরে যা লিখেছেন — সেটুকু, আর বোর্ডে দেখানোর জন্য এখন কত নম্বর চলছে। প্রেসক্রিপশন, রোগ নির্ণয়, ওষুধ, আগের ভিজিট — কিছুই যায় না। কোন কোন ঠিকানা বাইরে থেকে চাওয়া যাবে তার তালিকা আপনার নিজের মেশিনেই লেখা আছে, আর তার বাইরে কিছু চাইলে আপনার মেশিনই “না” বলে দেয়।
সফটওয়্যারটি কি বাড়িতে “ফোন” করে?
লাইসেন্স যাচাইয়ের জন্য নয় — সেটি আপনার মেশিনেই অফলাইনে হয়, তাই ইন্টারনেট না থাকলেও কখনো আটকে যাবেন না। আপডেট আছে কি না দেখতে চাইলে তখনই কেবল যোগাযোগ হয়, আর সেটিও আপনি বন্ধ করে রাখতে পারেন।

নিজের চেম্বারে দেখে নিন

৩০ দিন বিনামূল্যে। ইন্টারনেটের তার খুলে রেখেও চালিয়ে দেখতে পারেন — সেটাই সবচেয়ে সহজ পরীক্ষা।