হাসপাতাল ও ক্লিনিক · ভর্তি রোগী
মৃত্যুকালীন জবানবন্দি ও সিপিআর না করার সিদ্ধান্ত
রোগীর কণ্ঠে রেকর্ড করা জবানবন্দি, সিল করার পর অপরিবর্তনীয়, প্রতিটি খোলা ও ডাউনলোড লেখা; আর ডাক্তারের সিপিআর না করার সিদ্ধান্ত, যা কারও চোখ এড়ায় না।
মৃত্যুকালীন জবানবন্দি
- ভর্তির রক্ত, সংক্রমণ ও জবানবন্দি অংশে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করুন। কে নিচ্ছেন (ম্যাজিস্ট্রেট, বা সময়মতো না আসতে পারলে ডাক্তার — কেন তাও), সাক্ষী, আর আগে ও পরে রোগী জবানবন্দি দিতে সক্ষম কিনা — একজন ডাক্তারের মত।
- রোগীর কণ্ঠ রেকর্ড হয় — রেকর্ডিং আবশ্যক; হাসপাতাল অনুমতি দিলে ভিডিওও। রোগীর নিজের ভাষায় বিবরণ, পড়ে শোনানো, সই বা টিপসই।
- শেষ হলে জবানবন্দি সিল করুন: তারপর কিছুই বদলায় না; রেকর্ড ও রেকর্ডিংয়ের SHA-256 রাখা ও ছাপা হয়, যাতে প্রমাণ থাকে কিছু বদলায়নি।
- শুধু ভর্তি রোগীর অর্ডার দেওয়ার অনুমতি থাকা ডাক্তার ও অ্যাডমিন খুলতে বা শুনতে পারেন; প্রতিবার খোলা, শোনা বা ছাপা লেখা থাকে — কে, কখন।
- রেকর্ডিং ডাউনলোড হয় শুধু সিল করার পর, আর কাকে দেওয়া হচ্ছে (থানা ও কর্মকর্তা, আদালত বা ব্যক্তি) ও কেন তা লিখলে; রেফারেন্স নম্বরও লেখা যায়।
- ভিডিও চালু করা অ্যাডমিনের সিদ্ধান্ত: ওয়ার্ড সেটিং › মৃত্যুকালীন জবানবন্দি।
কোন প্রক্রিয়া ও শব্দ ব্যবহার হবে তা হাসপাতালের আইন উপদেষ্টা ঠিক করেন; সফটওয়্যার রেকর্ড রাখে আর প্রমাণ দেয় তা বদলায়নি।
সিপিআর না করার সিদ্ধান্ত
একজন ডাক্তার ভর্তির জন্য সিদ্ধান্তটি লেখেন — কেন, আর রোগী বা পরিবারের কার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এটি বেডের ব্যান্ড, ভর্তির সারাংশ ও মনিটরিং বোর্ডে দেখা যায়, যতক্ষণ না একজন ডাক্তার কারণ লিখে তা শেষ করেন; দুটোই রেকর্ডে থাকে। সিদ্ধান্ত ডাক্তার ও হাসপাতালের নীতির; সফটওয়্যার শুধু তা সবার চোখের সামনে রাখে।
এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।

