হাসপাতাল ও ক্লিনিক · রোজকার কাজ
রোগীর কার্ড: দেওয়া, নকশা ও ছাপা
ছবি, কিউআর ও এনএফসি চিপসহ কার্ড — কীভাবে দেওয়া হয়, নিজেদের ঘর ও আবশ্যক তথ্য, কার্ড প্রিন্টারে ছাপা, আর হারালে বা কেউ পেলে।
কার্ড দেওয়া
- রোগীর কার্ড খুলুন (কাউন্টার, রিসেপশন বা ভর্তি ডেস্ক), আর রোগীকে কার্ড দিন অংশে রোগী খুঁজুন — নতুন রোগী হলে + নতুন রোগী।
- যাঁর কার্ড নেই, তাঁর জন্য কার্ডের ফর্ম নিজে থেকে খোলে, প্রথমে ছবি।
- ছবি তিনভাবে: এই কম্পিউটারের ক্যামেরা (সার্ভারের নিজের পর্দায় বা নিরাপদ https ঠিকানায়); ফোনের ক্যামেরা দিয়ে — পর্দার কিউআর হাসপাতালের ওয়াইফাইতে থাকা যেকোনো কর্মীর ফোনে স্ক্যান করুন, সেখানে ছবি তুলে পাঠান, ছবি নিজে থেকেই পর্দায় আসে (কোড দশ মিনিট চলে, ফোনে কিছু থাকে না); অথবা ছবি বেছে নিন। ফোনে কাজ করলে ছবি তুলুন ফোনের নিজের ক্যামেরা খোলে।
- রোগী রাজি থাকলে রোগী জরুরি তথ্য দেখাতে সম্মত টিক দিয়ে রোগ, নিয়মিত ওষুধ, কাকে ফোন করতে হবে আর তাঁর নম্বর লিখুন; অ্যালার্জি রোগীর ফাইল থেকে আসে।
- হাসপাতালের নিজের ঘরগুলো পূরণ করুন; * চিহ্নিত ঘর আবশ্যক — এগুলো ছাড়া কার্ড দেওয়া যায় না।
- চাইলে রোগীর পিন (৪–৬ অঙ্ক) আর এনএফসি চিপ: ঘরে ক্লিক করে রিডারে কার্ড ছোঁয়ান। কার্ডের ফি থাকলে নিন, বাকি রাখুন বা কারণসহ মাফ করুন, তারপর সংরক্ষণ।
নকশা, নিজেদের ঘর ও আবশ্যক তথ্য
অ্যাডমিন সেটআপ → প্রিন্ট ও কার্ড-এ রোগীর কার্ডের নকশা ঠিক করেন; নমুনা পাশে সঙ্গে সঙ্গে বদলায়।
- আড়াআড়ি বা খাড়া, হাসপাতালের রং আর লোগো — অথবা নকশাকারের বানানো দুই পিঠের ছবি।
- নিজেদের ঘর: দশটি পর্যন্ত (যেমন সদস্য নম্বর, স্কিম, কর্মস্থল), প্রতিটি সামনে, পেছনে বা ছাপা হবে না; কার্ডে সর্বোচ্চ চারটি ধরে। যেগুলো ছাড়া কার্ড দেওয়া যাবে না সেগুলোতে আবশ্যক।
- যা ছাড়া কার্ড দেওয়া যাবে না: রোগীর ছবি, আর কাকে ফোন করতে হবে ও তাঁর নম্বর। অ্যালার্জি, রোগ ও ওষুধ ঐচ্ছিক থাকে, কারণ এগুলো শুধু রোগীর সম্মতিতে দেখানো হয়। আগে দেওয়া কার্ড সম্পাদনা করলেও এই নিয়ম মানতে হয়।
- পাওয়া গেলে কোথায় ফেরত: পেছনে হাসপাতালের নাম, ঠিকানা ও ফোনের ওপরের কথাগুলো (ঠিকানা ও ফোন সেটআপের হাসপাতালের তথ্য থেকে)।
কার্ড প্রিন্টারে ছাপা
কার্ডটি সাধারণ আইডি-কার্ডের মাপে (CR80, ৮৫.৬ × ৫৪ মিলিমিটার) দুই পিঠে ছাপা হয়, পিভিসি কার্ড প্রিন্টারে। কার্ডে কার্ড প্রিন্ট করুন চাপলে ব্রাউজারের প্রিন্টের বক্স খোলে; প্রথমবার এগুলো ঠিক করুন:
- প্রিন্টার: কার্ড প্রিন্টার। কাগজের মাপ: CR80 (বা ৮৫.৬ × ৫৪ মিমি; খাড়া নকশায় ৫৪ × ৮৫.৬)।
- মার্জিন: কিছু নয়; স্কেল: ১০০% বা প্রকৃত মাপ — “ফিট করুন” নয়।
- ব্যাকগ্রাউন্ড গ্রাফিক্স চালু করুন (আরও সেটিংসে), নইলে রং ও ব্যান্ড ছাপা হয় না।
- দুই পিঠ: প্রিন্টার দুই পিঠে ছাপতে পারলে দুই পিঠে ছাপুন। না পারলে প্রথম পাতা (সামনে) ছেপে কার্ড উল্টে দিয়ে দ্বিতীয় পাতা (পেছন) ছাপুন।
- প্রথমে সাধারণ কাগজে একবার ছেপে কার্ডের ওপর ধরে মিলিয়ে নিন।
জরুরি তথ্যের পাতা প্রিন্ট করলে রোগীর কাছে রাখার জন্য এক পাতা A4-এ, বাংলা ও ইংরেজি একসাথে।
হারানো বা কেউ পেলে
- হারালে কার্ড বাতিল করুন, কারণসহ: তার কিউআর, চিপ ও রোগীর খোলা সেশন আর কিছু খোলে না। তারপর নতুন কার্ড দিন — হারানো কার্ডের ফি আলাদা হতে পারে।
- কেউ কার্ড পেলে পেছনে হাসপাতালের নাম, ঠিকানা ও ফোন দেখেন; কিউআর স্ক্যান করলেও একই তথ্য আর ফোন করার বোতাম আসে — রোগীর সম্মতি না থাকলে রোগীর কোনো তথ্য দেখানো হয় না।
যেকোনো ডেস্কে রোগী খোঁজার ঘরের পাশে ফোনে চিপ ছোঁয়ান বা কিউআর স্ক্যান করুন — অথবা ইউএসবি রিডারে পড়ে এন্টার চাপুন — রোগী সঙ্গে সঙ্গে বাছাই হয়। এভাবে হাসপাতালর প্রতিটি ডেস্কে একই রোগী, একই আইডি।
এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।

