অক্টোবর অফার — প্রথম ১০০ জন ডাক্তারের জন্য ৪০% ছাড়

৩টি বিক্রি হয়েছে · ১০০টির মধ্যে ৯৭টি বাকি কিনুন

ডায়াগনস্টিক সেন্টার · রোজকার কাজ

রিপোর্ট ফর্ম: প্রতিটি রিপোর্ট তার নিজের গঠনে

আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্স-রে, সিটি, এমআরআই, ইসিজি আর ইকোর রিপোর্ট নিজের নিজের ফর্মে — শুরুর নমুনা, পরিমাপ, আর নমুনা রিপোর্ট থেকে এআই দিয়ে ফর্ম তৈরি।


একটি ইসিজি রিপোর্ট আর একটি পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টের গঠন আলাদা। রিপোর্ট ফর্মে প্রতিটি ধরনের রিপোর্টের নিজের শিরোনাম, পদ্ধতি, পরিমাপ, ক্রমানুসারে অংশ (লিভার, পিত্তথলি, কিডনি…), মতামত আর পরামর্শ থাকে। যে পরীক্ষাকে একটি ফর্ম দেওয়া হয়, তার রিপোর্ট সেই ফর্মে লেখা হয় আর সেই গঠনেই ছাপা হয়।

শুরুর নমুনা

সেন্টারের জন্য তৈরি থাকে: পুরো পেট, কেইউবি, তলপেট, প্রস্টেটসহ কেইউবি, স্তন ও থাইরয়েডের আল্ট্রাসনোগ্রাফি; বুক, কেইউবি, কোমর ও হাঁটুর এক্স-রে; মস্তিষ্কের সিটি ও এইচআরসিটি; মস্তিষ্ক ও কোমরের এমআরআই; ইসিজি; আর ইকোকার্ডিওগ্রাফি। প্রতিটিতে প্রচলিত স্বাভাবিক লেখা থাকে।

শুরুর নমুনা একটি খসড়া: এখানকার একজন ডাক্তার পড়ে না নেওয়া পর্যন্ত রিপোর্ট লেখার সময় তা জানানো হয়। আপনার সেন্টার যা অন্যভাবে লেখে তা বদলে নিন; ফলাফল অনুমোদন করেন এমন ডাক্তার রিপোর্টের পাতাতেই ফর্মটি আমি পড়েছি চাপতে পারেন।
  1. পরীক্ষা ও দাম-এ রিপোর্ট ফর্ম খুলুন — ধরন অনুযায়ী সব ফর্ম দেখা যায়।
  2. একটি ফর্ম খুলে নাম, ছাপার শিরোনাম (বাংলাসহ), পদ্ধতি, পরিমাপ (একক সহ), অংশ আর তার স্বাভাবিক লেখা, মতামত ও পরামর্শ বদলান। সংরক্ষণ চাপুন।
  3. পরীক্ষার তালিকায় পরীক্ষাটি খুলে রিপোর্ট ফর্ম বেছে নিন। না বাছলে আগের মতো পর্যবেক্ষণ, মতামত আর মন্তব্যের তিনটি ঘর থাকে।

রিপোর্ট লেখা

ফর্মের রিপোর্টে প্রথমে পরিমাপ, তারপর প্রতিটি অংশ তার স্বাভাবিক লেখাসহ — শুধু যা আলাদা তা বদলান। প্রতিটি ঘরে মুখে বলেও লেখা যায়। পরিমাপের পাশে রোগীর লিঙ্গ অনুযায়ী স্বাভাবিক সীমা দেখায়, যেখানে ফর্মে তার প্রকাশিত উৎস দেওয়া আছে (ইকোর মাপ: ASE/EACVI 2015)।

ইসিজিতে কিউটি আর হৃৎস্পন্দন দিলে কিউটিসি (বাজেট) হিসাব করে পাশে দেখায়, বসান চাপলে তবেই বসে। নিজে থেকে কিছু বসানো হয় না; মিলিয়ে নিন।

ছাপা রিপোর্টে ফর্মের শিরোনাম, পদ্ধতি, পরিমাপের সারণি (স্বাভাবিক সীমাসহ), অংশগুলো, মতামত আর পরামর্শ — বাংলা রিপোর্টে শিরোনামগুলো বাংলায়, ডাক্তারের লেখা যেমন লেখা তেমন। ডাক্তারের অ্যাপে আর পিএসিএস-এ রিপোর্ট আগের মতোই যায়।

ইটিটি আর গর্ভাবস্থার আল্ট্রাসনোগ্রাফি

ইটিটি (ব্রুস প্রটোকল) ফর্মে বিশ্রামের ও সর্বোচ্চ হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ, সময়, METs, থামার কারণ, আর প্রতিটি স্টেজের একটি সারণি থাকে — স্টেজের গতি ও ঢাল আগে থেকে লেখা; সময়, হৃৎস্পন্দন, রক্তচাপ, এসটি পরিবর্তন আর উপসর্গ লিখুন, দরকার হলে সারি যোগ করুন। রোগীর বয়স থেকে লক্ষ্য হৃৎস্পন্দন (২২০ − বয়সের ৮৫%) আর সর্বোচ্চ হৃৎস্পন্দন তার কত শতাংশ, তা পাশে দেখায়।

গর্ভাবস্থার আল্ট্রাসনোগ্রাফি ফর্মে BPD, HC, AC আর FL মিলিমিটারে লিখলে গর্ভকাল (Hadlock 1984), শিশুর আনুমানিক ওজন (Hadlock 1985) আর প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ হিসাব করে পাশে দেখায়, উৎসসহ। সনোলজিস্ট বসান চাপলে তবেই বসে, আর বসানোর পরও বদলাতে পারেন।

এই হিসাবগুলো প্রস্তাব মাত্র; রিপোর্টে যা যায় তা সনোলজিস্ট বা কার্ডিওলজিস্টের নিজের সিদ্ধান্ত।

রিপোর্টে মূল ছবি

লিখিত রিপোর্টে (আল্ট্রাসনোগ্রাফি, এক্স-রে, ইসিজি, ইকো, ইটিটি…) চারটি পর্যন্ত মূল ছবি যোগ করা যায় — একটি মূল দৃশ্য, ইসিজির ট্রেসিং — প্রতিটির সাথে ইচ্ছে হলে ছোট বিবরণ। রিপোর্ট লেখার পাতায় ছবি যোগ করুন চাপুন; ছবি পাঠানোর আগে এই কম্পিউটারেই ছোট করে নেওয়া হয়। ছাপা রিপোর্টে ছবিগুলো লেখার নিচে বসে, এক সারিতে দুটি, একটি হলে পুরো চওড়ায়।

ছবি শুধু রিপোর্ট লেখার ডাক্তার যোগ করতে বা সরাতে পারেন, আর রিপোর্ট অনুমোদনের পর ছবিও লেখার মতোই স্থির — বদলাতে হলে কারণসহ সংশোধন করুন। প্রতিটি যোগ ও সরানো খাতায় লেখা থাকে।

কালচার, হিস্টোপ্যাথলজি ও সাইটোলজি

প্রস্রাব, রক্ত, পুঁজ, কফ আর পায়খানার কালচারের ফর্মে নমুনা আর ল্যাব যে অ্যান্টিবায়োটিকগুলো পরীক্ষা করে তার তালিকা থাকে — তালিকা ল্যাব নিজের মতো সাজিয়ে নেয়। রিপোর্টে বেছে নিন জীবাণু পাওয়া গেছে বা কিছু জন্মায়নি; জীবাণু হলে তার নাম (প্রচলিত নামগুলো লেখার সময় আসে), কলোনি সংখ্যা, আর প্রতিটি অ্যান্টিবায়োটিকের এমআইসি ও S, I বা R। তিনটি পর্যন্ত জীবাণু। ছাপা রিপোর্টে অ্যান্টিবায়োটিকগুলো দুই কলামে।

হিস্টোপ্যাথলজি, প্যাপ স্মিয়ার আর এফএনএসি ফর্মে ল্যাব নম্বর আর ক্রমানুসারে অংশগুলো থাকে; রোগনির্ণয়ের ঘর ফাঁকা থাকে — তা প্যাথলজিস্ট লেখেন। পরীক্ষার তালিকায় এই ল্যাব পরীক্ষাগুলোকেও তাদের ফর্ম দেওয়া যায়।

নমুনা রিপোর্ট থেকে ফর্ম (এআই)

  1. রিপোর্ট ফর্ম-এ নমুনা রিপোর্ট থেকে ফর্ম তৈরি (এআই) চাপুন।
  2. রিপোর্ট বেছে নিন: একবারে ১০টি পর্যন্ত, ছবি বা PDF (২ এমবি পর্যন্ত) — নিজের বা অন্য সেন্টারের। খরচ (ক্রেডিট) আগে দেখায়।
  3. পড়ে দেখুন চাপুন। একটি একটি করে পড়া হয়; লিখিত ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট না হলে তা জানানো হয়।
  4. পড়ে রেখে দিন: খসড়াটি নমুনার পাশে খোলে। মিলিয়ে পড়ুন, বদলান, সংরক্ষণ চাপুন। না রাখলে কিছুই রাখা হয় না।
নমুনায় রোগীর কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে সেই অংশে প্রচলিত স্বাভাবিক লেখা বসে, আর অংশটির নাম আলাদা করে দেখানো হয় — সেটি আগে পড়ুন। রোগীর নাম, নম্বর, তারিখ, ডাক্তার বা অন্য সেন্টারের নাম ও লোগো কখনো ফর্মে নেওয়া হয় না; ছবিগুলোও রাখা হয় না। ছবি তোলার আগে রোগীর নাম ঢেকে দিলে আরও ভালো।

এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।