R x

রোজকার কাজ

রেফারেল লেটার

রোগীর নথি থেকেই চিঠি তৈরি হয় — পরীক্ষা, ওষুধ, ল্যাবের মান — আপনার নিজের লেটারহেডে।


প্রেসক্রিপশনের পর্দায় রেফার করুন চাপুন। আপনাকে কেবল একটি লাইন লিখতে হয় — কেন পাঠাচ্ছেন। বাকিটা নথি থেকেই আসে।

চিঠিতে কী যায়

  • রোগীর নাম, বয়স, লিঙ্গ, রক্তের গ্রুপ আর অ্যালার্জি।
  • আজকের অভিযোগ, পরীক্ষায় প্রাপ্ত ও রোগ নির্ণয় — আপনি যেভাবে লিখেছেন, ঠিক সেভাবে।
  • আজকের প্রেসক্রিপশনের ওষুধগুলো, ডোজসহ।
  • ল্যাবের যেসব মান ছাপা সীমার বাইরে, বা গতবারের তুলনায় অনেকটা বদলেছে — আগের মানটি পাশে লেখা থাকে।
  • এই রোগী কতদিন ধরে আপনার কাছে আসছেন।
চিঠিতে কোনো সারাংশ বা মতামত যন্ত্র লিখে দেয় না। প্রতিটি লাইন হয় আপনার নিজের লেখা, নয় ল্যাবের ছাপা সংখ্যা — যে চিঠি পড়ে কেউ ব্যবস্থা নেবেন, সেখানে এটিই একমাত্র নিরাপদ নিয়ম।

ছাপা ও রেখে দেওয়া

চিঠি প্রেসক্রিপশনের মতোই আপনার লেটারহেডে ছাপে, প্যাড মোডসহ। ছাপা হয়ে গেলে চিঠিটি যেমন ছিল তেমনই থেকে যায় — পরে নতুন রিপোর্ট এলেও পুরোনো চিঠি পুরোনো কথাই বলবে, কারণ তিন মাস পরে প্রশ্নটা থাকে “তখন কী লিখে পাঠিয়েছিলাম”।


এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।