ফাউন্ডার দাম — প্রথম ১০০ জন ডাক্তারের জন্য ৪০% ছাড়

১০০টি জায়গা কিনুন

হিসাব

রোগ রেজিস্টার

প্রতিটি দীর্ঘমেয়াদি রোগের রোগীদের তালিকা — আর কার কী পরীক্ষা বা ভিজিট বাকি।


রিপোর্ট → রোগ রেজিস্টার খুলুন। সাতটি রেজিস্টার: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি রোগ, হৃদরোগ, থাইরয়েড, হাঁপানি ও সিওপিডি, আর মৃগী। কোনো রোগীর কোনো ভিজিটের রোগ নির্ণয় বা পূর্ব ইতিহাসে রোগটির নাম (বা DM, HTN, CKD-র মতো সংক্ষিপ্ত রূপ) লেখা থাকলেই তিনি সেই রেজিস্টারে আসেন।

ওষুধ দেখে কাউকে রেজিস্টারে তোলা হয় না — মেটফরমিন পিসিওএস-এও চলে, কার্বামাজেপিন স্নায়ুর ব্যথাতেও। যা আপনি লিখেছেন, শুধু সেটিই গোনা হয়।

প্রতিটি রোগীর পাশে শেষ প্রেসক্রিপশনের তারিখ, শেষ রক্তচাপ, HbA1c আর কিডনির মান (eGFR, না থাকলে ক্রিয়েটিনিন), থাইরয়েডে TSH — প্রতিটির তারিখসহ। যাঁর সবচেয়ে বেশি বাকি তিনি সবার উপরে, আর নামে চাপলে ফাইল খোলে।

কী “বাকি” ধরা হয়

  • তিন মাস দেখা হয়নি (ছয় মাস হলে লাল)
  • ডায়াবেটিসে ছয় মাসে একবার HbA1c, বছরে একবার কিডনি পরীক্ষা; HbA1c ৮% বা তার বেশি হলে সেটিও বলে
  • শেষ রক্তচাপ ১৪০/৯০ বা বেশি (১৬০/১০০ হলে লাল), অথবা উচ্চ রক্তচাপে কোনো রক্তচাপ লেখা নেই
  • কিডনি রোগে ছয় মাসে একবার ক্রিয়েটিনিন; eGFR ৩০-এর নিচে হলে লাল
  • থাইরয়েডে বছরে একবার TSH, আর স্বাভাবিক সীমার বাইরের TSH

শুধু যাদের দিকে নজর দরকার টিক দিলে যাঁদের কিছু বাকি নেই তাঁরা সরে যান। নাম, আইডি বা ফোন দিয়ে খোঁজা যায়, আর পাতাটি ছাপাও যায়।

এগুলো সব নির্দেশিকায় একমত এমন কয়েকটি সাধারণ মাপকাঠি। রেজিস্টার কেবল মনে করিয়ে দেয় — কোন রোগীর কী করা দরকার, সেটি আপনার সিদ্ধান্ত।

এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।