R x

রোজকার কাজ

ল্যাব রিপোর্ট তুলে নেওয়া

রিপোর্টের ছবি তুললে তার মানগুলো রোগীর ফাইলে উঠে যায় — এবং কোন জায়গাটা পড়া যায়নি, সেটাও বলে দেয়।


রোগী গত সপ্তাহের CBC নিয়ে এসেছেন। কাগজটা দেখে নিয়ে ফাইলে হাতে তুলতে গেলে সময় যায়, আর পরের বার সেটা আর খুঁজে পাওয়া যায় না। ছবিটা তুলে নিলে মানগুলো ফাইলে থেকে যায়, আর ছয় মাস পরে পাশাপাশি রেখে দেখা যায়।

যেভাবে করবেন

  1. রোগীর ফাইল খুলে নতুন প্রেসক্রিপশন-এ যান।
  2. ডান পাশে ল্যাব রিপোর্ট অংশে ল্যাব রিপোর্ট পড়ান চাপুন।
  3. ছবি তুলুন, বা আগে তোলা ছবি বেছে নিন। মোবাইলে সরাসরি ক্যামেরা খুলবে।
  4. বোতামে কত টাকা লাগতে পারে লেখা উঠবে — সাধারণত ২ থেকে ৫ টাকা। রাজি হলে চাপুন।
  5. যা পড়া গেছে তা টেবিলে দেখানো হবে। মিলিয়ে নিয়ে ফাইলে যোগ করুন চাপুন।
ছবি তোলার সময় কাগজটা সমতল রাখুন আর সরাসরি ওপর থেকে তুলুন। কোনাকুনি ছবি বা টিউবলাইটের চকচকে দাগ পড়লে ওই সারিগুলো পড়া যায় না — তখন সেগুলো বাদ পড়ে, ভুল বসে না।
প্রেসক্রিপশনের পর্দায় ল্যাব রিপোর্টের অংশ
প্রেসক্রিপশনের পর্দায় ল্যাব রিপোর্টের অংশ

যা পড়া যায়নি

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যেটুকু স্পষ্ট নয়, সেটা আলাদা হলুদ বাক্সে নাম ধরে লেখা থাকে আর টেবিল থেকে বাদ থাকে। কারণ একটা সুন্দর টেবিলে একটা সারি চুপচাপ নেই হয়ে গেলে আপনি বুঝতেই পারবেন না কোনটা পড়া হয়েছে আর কোনটা আন্দাজ। ওই সারিগুলো কাগজ দেখে নিজে মিলিয়ে নিন।

যা এটি করে না

  • রিপোর্ট ব্যাখ্যা করে না। রিপোর্ট নিজে যেটাকে H বা L চিহ্ন দিয়েছে কেবল সেটাই লাল দেখায় — নিজে থেকে কোনো মানকে অস্বাভাবিক বলে না।
  • একক বদলায় না। এক ল্যাবের mg/dL আরেক ল্যাবের µmol/L-এ রূপান্তর করে না — করলে তুলনাটাই মিথ্যে হয়ে যেত।
  • নিজের স্মৃতি থেকে রেফারেন্স রেঞ্জ বসায় না। কাগজে রেঞ্জ লেখা না থাকলে ঘরটা খালি থাকে।
  • ছবিটি ফাইলে রাখা হয় না — কেবল মানগুলো। কাগজটা তো আপনার কাছেই আছে, আর ছবি রাখলে ফাইল বছরে দশ গুণ বড় হয়ে যেত।

রিপোর্টের নিজের রেঞ্জের বাইরে

ল্যাব নিজে যেটাকে H বা L দেয়, সেটা লাল থাকে। কিন্তু ল্যাবগুলো এ ব্যাপারে একরকম নয় — হিমোগ্লোবিন কমলে পাশে L বসায়, অথচ MCV ৭১.৪ ছাপা রেঞ্জ ৮০–১০০-এর নিচে হলেও কিছুই বসায় না। তাই যেখানে কাগজে ছাপা রেঞ্জের বাইরে কোনো মান পড়ে, সেখানে আলাদা করে দেখিয়ে দেওয়া হয়। এটি নিছক হিসাব — একই কাগজে ছাপা দুটি সংখ্যা মিলিয়ে দেখা, ফলাফলের কোনো ব্যাখ্যা নয়।

কতটা বাইরে, সেটাও আলাদা করে বোঝানো হয়। রিপোর্টের নিজের রেঞ্জের প্রস্থের অর্ধেকের বেশি বাইরে গেলে মানটি লাল ঘরে বসে — কারণ সীমার সামান্য বাইরে থাকা আর অনেকটা বাইরে থাকা পর্দায় একরকম দেখানো উচিত নয়। মাপকাঠি সেই একই: ওই কাগজে ছাপা রেঞ্জের প্রস্থ। “< ২০০”-র মতো একদিক খোলা রেঞ্জে প্রস্থ নেই, তাই সেখানে “বাইরে” লেখা হয়, “অনেকটা বাইরে” নয়।

রেঞ্জটি যদি এমনভাবে লেখা থাকে যা পড়া যায় না — “বয়স অনুযায়ী”, বা পুরুষ-নারীর জন্য আলাদা — তাহলে কিছুই বলা হয় না। যেখানে সংখ্যা নেই, সেখানে হিসাবও নেই।

আগের রিপোর্টের সাথে মেলানো

গতবার একই পরীক্ষার যে মান ছিল, সেটি নামের নিচেই লেখা থাকে — তারিখসহ। আর যদি পরিবর্তনটা ওই রিপোর্টের নিজের রেঞ্জের প্রস্থের অর্ধেকের বেশি হয়, তাহলে আলাদা করে বলে দেওয়া হয়। মাপকাঠিটা ল্যাবের নিজের, আমাদের বানানো কোনো সীমা নয় — আর একক আলাদা হলে মেলানো হয় না, শুধু দেখানো হয়।

একই পরীক্ষার একাধিক রিপোর্ট ফাইলে থাকলে সেগুলো পাশাপাশি দেখানো হয় — নতুনটা আগে। নাম মেলানো হয় ছাপা নাম দেখে, বড়-ছোট হরফ আর বন্ধনী বাদ দিয়ে: “Haemoglobin” আর “Haemoglobin (Hb)” এক পরীক্ষা। কিন্তু শুধু “Hb” লেখা থাকলে সেটাকে এক ধরে নেওয়া হয় না — ওটা ডাক্তারি সিদ্ধান্ত, সফটওয়্যারের নয়।

AI বন্ধ থাকলে এই বোতামটি দেখাবে না। চালু করতে ডাক্তার ও চেম্বার পাতায় নিজের API key বসান, নয়তো ক্রেডিট কিনে নিন।

এই পাতাটি কাজে না এলে সাপোর্টে লিখুন — কোথায় আটকেছেন বললে পাতাটিও ঠিক করে দেব।